একুশ রয়েছে প্রাণে

 একুশ রয়েছে প্রাণে


যাঁরা বাংলাভাষা নিয়ে যুক্তি তর্ক সাজিয়ে আলোচনায়  আলোকপাত করে  বাংলাভাষাকে  মায়েরভাষা-মাতৃভাষা জ্ঞানে সন্মান প্রদর্শন করেন, তাঁদের সকলের অনুসন্ধিৎসু মনের কাছে একুশেফেব্রুয়ারি এবং উনিশেমে হল বিশেষভাবে স্মরণীয় দুটিদিন, রেডলেটারডে  এবং  কালাদিবস হিসাবেও স্মরণযোগ্য। ১৯৫২সালের ২১ফেব্রুয়ারি এবং বাংলার ০৮ফাল্গুন ১৩৫৯সাল ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে  মাতৃভাষাবাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে  শাসকের বন্দুকের গুলি খেয়ে  সালাম-বরকত-জব্বার-রফিক  তরতাজা প্রাণ দিয়েছিলেন।অমরএকুশের সৌজন্যেই ১৯৯৯সালের ১৭নভেম্বর রাষ্ট্রসংঘ উপহার দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস।২০০০সালের ২১ফেব্রুয়ারি প্রথমবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস হিসাবে পালিত হয় একুশেফেব্রুয়ারি । আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশেফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি ----  শুনতে শুনতেও মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে যখন বাংলা-ইংরাজি-হিন্দির জগাখিচুড়ী বাইন্দিভাষায় আমার মাতৃভাষাবাংলা কলুষিত হয়ে ওঠে। বাংলাটা আমার ঠিক আসেনা, বাংলা আবার একটা ভাষা নাকি ---প্রভৃতি যখন শুনি তখন মনেমনে বলি বাংলাভাষা মা আমার ওদের অজ্ঞতা, মূর্খতা ক্ষমা কোরো। পরিশেষে আমি বাংলায় গান গাই ----বলতে গিয়ে একটা খেদ থেকেই যায় আমরা বাঙালিরা,বাংলাভাষাভাষীরা আর কবে বাঙালি হবো, আর কবে বাংলাভাষী হবো ----!


মন্তব্যসমূহ