মেরুদণ্ড

 মেরুদণ্ড 


জানিনা কোন্ ছবি যে দেখবো কখন

সব‌ই যেন মনে ধরায় কাঁপন।

ভোজবাজির মতো উড়ে যাবে তখন

হয়তো আমার সাধের জীবনযাপন।

বস্তির দূরবস্থা ঘুঁচিয়ে গড়বে ইমারত 

সবকিছু তছনছ করে অস্থির আমার ভবিষ্যৎ।

ছেঁটে দেবে হয়তোবা ভালোবাসার চালাঘর

গড়ে উঠবে অতিথিদের পানশালা খেলাঘর।

আমার ভালোলাগা চালাঘরের দূরবস্থা

তাও তাতে থাকতো ভালোবাসা মাখা ব্যবস্থা।

হেসে খেলে কাজে অকাজে কেটে যেতো দিন

মাথা গোঁজার ঠাঁই ঠিক‌ই ছিল অস্তিত্বে সুদিন।

ছিন্ন করে ছন্নছাড়া করে দিল একদিন

ধ্বংস চালাঘর, মাথা গোঁজা হাতে গোনা ক'দিন।

তারপর ছন্নছাড়া ছিন্নমূল ব্যথার বাঁকে ফেরে

স্বপ্ন দেখে এ দুয়ার ও দুয়ার ঘুরে ঘুরে।

আশা মিললেও ভরসা মেলেনি খুব বেশি

দীন দরিদ্র মেরুদন্ডহীন আমরা তাতেই খুশি।

আনন্দবিহার প্রাসাদ গুলো তলার পর তলা

ঘাড় তুলে দেখা ছাড়া নেই তো কিছু বলা।

দেখনদারি ভালোলাগা ভালোবাসা ওদের বিলাসিতা

আমাদের ঘিরে আছে শুধুই অনিশ্চয়তা।

স্বপ্ন ছিল ঘর-দুয়ার বাঁচা এবং বাঁচানোর 

এখন দুঃস্বপ্ন দেখি নিজেকে বাঁচানোর।

আজ এখানে পিছনের ঠেলায়

কাল সেখানে সামনের টানে অবহেলায়।

দুদন্ড স্বস্তি নেই অস্বস্তিতে ভরপুর

বাঁচার টানে ঘুরে বেড়াই সকাল থেকে রাতদুপুর।

ওদের আছে অনেক কিছু সীমানা ছাড়িয়ে

দেয় না তবু একটুও তো হাতটা বাড়িয়ে।

শুধু কেড়ে নিতে চায় যা কিছু পায়

এখন তবে খুঁজতে হবে নিজে বাঁচার উপায়।

দেবে না কেউ তোমায় কিছু এমনি এমনি

লড়াই করে সুযোগ মতো কাড়তে হবে তখনি।

তোমার আছে আমার কেন নেই---এ তো কাঁদুনি

নিজের করে পেতে চাই উচ্ছিষ্ট তো চাইনি।

ছবিটা বদলাতে হবে নিজের সদিচ্ছায়

লেগে থাকলে জয় নিশ্চয় আসবেই স্বেচ্ছায়।।

মন্তব্যসমূহ