ঘেমো জামাটা নিংড়ে নাও

 ঘেমো জামাটা নিংড়ে নাও


অনেক ঝরিয়েছো ঘাম

এবার নিংড়ে ফেলো গায়ের জামা,

মুছে ফেলো গামছায় গা।

সময় এসেছে থামবার 

পিছন ফিরে তাকাবার 

অপরকে জানান দেবার ---

কেন তুমি থেমেছো আর 

কেন তুমি ঝরিয়েছো ঘাম।

অনলস চলতে চলতে ভুলে গেছো

তোমার গন্তব্য স্থলটা।

নিরলস বলতে বলতে তুমি 

বক্তা হয়ে উঠেছো হয়তো বা।

কিন্তু তুমি চলতে এবং বলতে শিখেছো

থামতে শেখোনি,

বুঝতে চাওনি ছেদ যতির প্রয়োজন ।

বাক্যের যেমন ছেদ যতি,

জীবনেও থামা চাই--- সময় মতো ন‌ইলে ক্ষতি।

অনেক ঘাম ঝরিয়ে যদি তুমি দেখো

দুর্বল শরীর রক্তরস নেই তাতে,

নেই আবার ঘাম ঝরাবার ক্ষমতা 

কিন্তু তোমার ভাঁড়ার শূন্য।

তবুও তোমায় ঘাম ঝরাতে হবে তখন 

তুমি কি বলবে হে বক্তা,

তখন কোথায় তোমার কর্মব্যস্ততা !

নৃশংস হয়ে উঠতে চাইবে না কি

জিজ্ঞাসিত বাস্তব মনটা ?

তাই বলি থামো এবার থামো,

যত যা ঝরিয়েছো ঘাম 

বুঝে নাও তার দাম।

নিংড়ে নাও ঘেমো জামা আর 

বোটকা গন্ধটা।

আবার না হয় নতুন করে ঘামে ভিজিয়ো

তোমার নতুন রঙিন জামাটা।

অনেক ঝরিয়েছো ঘাম 

এবার শেখো থামাটা

সময় মতো থামাটা।।

১৩ সেপ্টেম্বর,১৯৮৯ সঞ্চয়িতা মেমারি বুধবার বিকেল ৫-২০ মিনিট ২৭ ভাদ্র,১৩৯৬

মন্তব্যসমূহ